যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

চবিতে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া

চবিতে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া

মোঃ ইব্রাহিম শেখ চট্টগ্রাম ব্যুরো:আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের
উপপক্ষ ‘বিজয়ের’ নেতা–কর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে
ক্যাম্পাসে সোহরাওয়ার্দী হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার পর রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বিজয় উপপক্ষের নেতাকর্মীদের একটি পক্ষ সোহরাওয়ার্দী হলের
ভেতরে লাঠিসোঁটা ও রামদা নিয়ে অবস্থান করেছিলেন। আরেকটি পক্ষ কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে একই ধরনের
দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অবস্থান করেছিলেন।
পরে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ
হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের রাজনীতি দীর্ঘদিন ধরে দুটি পক্ষে বিভক্ত। একটি পক্ষ সাবেক সিটি মেয়র
আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী। অপর পক্ষ শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর অনুসারী হিসেবে নিজেদের
পরিচয় দেয়। এ দুই পক্ষের মধ্যে আবার ১১টি উপপক্ষ রয়েছে। এর মধ্যে নাছিরের অনুসারী ৯টি ও মহিবুলের
অনুসারী দুটি। বিবাদে জড়িয়ে পড়া উপপক্ষ বিজয় মহিবুল হাসান চৌধুরীর অনুসারী হিসাবে চবি ক্যাম্পাসে
পরিচিত।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, কমিটিতে পদ পাওয়া ও নেতৃত্বকে কেন্দ্র করে শাখা ছাত্রলীগের উপপক্ষ বিজয় দুটি ভাগে
বিভক্ত হয়ে পড়েছে। একটি পক্ষের সদস্যরা আলাওল এবং এ এফ রহমান হলের থাকেন। আরেকটি পক্ষের
সদস্যরা থাকেন সোহরাওয়ার্দী হলে। সোহরাওয়ার্দী হলের নেতৃত্ব রয়েছে চবি শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি
নজরুল ইসলাম ও দেলোয়ার হোসেনসহ কয়েকজন নেতা। আলাওল এবং এ এফ রহমান হলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন
চবি শাখা ছাত্রলীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইলিয়াছ।
ওই তিন হলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বিজয় উপপক্ষের সোহরাওয়ার্দী হলের
কর্মী ও বাংলাদেশ স্টাডিজ বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রিফাত বিন আজাদের জন্মদিন ছিল। আলাওল এবং
এ এফ রহমান হলের নেতাকর্মীরা রিফাতকে তাঁদের কর্মী দাবি করে তাঁদের সঙ্গে জন্মদিন পালন করার জন্য
বলেন। তবে রিফাতের জন্মদিন সোহরাওয়ার্দী হলে উদযাপন করা হয়। এ নিয়ে ওই রাতেই দুই পক্ষের
নেতাকর্মীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এর রেশ ধরে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
উপপক্ষ বিজয়ের পদবঞ্চিত নেতা দেলোয়ার হোসেন ও শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন,
শাখা ছাত্রলীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইলিয়াছ বেনামে ক্যাম্পাসে তিনটি ঠিকাদারি কাজ নিয়েছেন।
ঠিকাদারি কাজ টিকিয়ে রাখার জন্যই তিনিক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করতে চাচ্ছেন। এ কারণে তাঁদের ওপর
অতর্কিত হামলা চালিয়েছেন ওই দুই হলের নেতাকর্মীরা। পরে তাঁরাও প্রতিহত করেছেন।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন মোহাম্মদ ইলিয়াছ। তিনি দাবি করেন, সোহরাওয়ার্দী হলের ছাত্রদলের এক
নেতার নেতৃত্বে এ ঘটনা ঘটেছে। কোনো কারণ ছাড়াই তাঁদের নেতাকর্মীদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে চড়াও হয়েছে
প্রতিপক্ষ। সোহরাওয়ার্দী হলের মোহাম্মদ ওয়াহিদ এসবে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এটি ছাত্রলীগের জন্য দুঃখজনক।’
এই বিষয়ে প্রক্টর রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাজ হচ্ছে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা
যেন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা। তাঁরা পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করছেন। এই ঘটনার পেছনে জড়িতদের
খুঁজে বের করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com